প্রথম পাতা রাজ্য দেশ আন্তর্জাতিক শিক্ষা রাজনীতি লাইফস্টাইল

Viral: বিয়ে না দিলে স্কুলে যাবেনা ছেলে, আবদার রাখতে ধুমধাম করে দুই স্কুল পড়ুয়ার বিয়ে দিল পরিবার

একজন পুরুষ বা মহিলার কাছে বিয়ে হল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই একটি ঘটনার পর দুটি জীবন বদলে যায় অনেকটাই। বদলে যায় চারপাশ, বদলে যায় জীবনধারা, বদলে যায় সবকিছু। তাই…

Published By: Debaprasad Mukherjee | Published On:

একজন পুরুষ বা মহিলার কাছে বিয়ে হল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই একটি ঘটনার পর দুটি জীবন বদলে যায় অনেকটাই। বদলে যায় চারপাশ, বদলে যায় জীবনধারা, বদলে যায় সবকিছু। তাই বিয়ে হল এমন একটি মুহূর্ত, যা নিয়ে সকলের চাহিদা থাকে বিপুল। সে বাবা-মা হোক কিংবা আত্মীয় স্বজন। আর বিয়েবাড়িতে নবদম্পতির চাহিদা তো থাকে তুঙ্গে। কারণ বিয়ে হল এই দুজনের জন্য এমন একটি পদক্ষেপ, যেখানে বদলে যেতে পারে জীবনের সবকিছু। একদিকে যেমন নিজের সবকিছু ছেড়ে নতুন জীবনে পা রাখেন মহিলারা, অন্যদিকে বিয়ের পর পুরুষদের দায় দায়িত্ব নতুনভাবে বৃদ্ধি পায়।

আর এইসব কারণেই জীবন পরিবর্তনের এই মাহেন্দ্রক্ষণটিকে সকলেই স্মরণীয় করে রাখতে চান প্রায় প্রত্যেকটি নবদম্পতি। আর আজকাল স্মৃতি তৈরি খুবই সহজ কাজ। কারণ মোবাইলের মাধ্যমে আজ ক্যামেরা পৌঁছে গিয়েছে সবার হাতেই। আর মোবাইলে ছবি বা ভিডিও তুলে সেটিকে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার প্রবণতাও এখন বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সেই কারণেই বিয়ের নানা মুহূর্ত আজকাল ভাইরাল হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেউ বিয়েতে গান করে ভাইরাল হন, কেউবা খাবার খেয়ে অথবা নানারূপ কান্ডকারখানা করে নেট দুনিয়ায় জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

তবে এবার বিয়ে নিয়ে একটি মজার ঘটনা ভাইরাল হল সামাজিক মাধ্যমে। এই ঘটনা শুনলে যায়নি বুঝতে পারবেন না যে এতে হাসবেন নাকি নীতিপুলিশ হয়ে প্রতিবাদ করবেন। কারণ এবার শুধুমাত্র এক নাবালক ও এক নাবালিকার আবদার পূরণের জন্যই তাদের বিয়ে দিতে উদ্যত হলেন তাদের দুই পরিবার। ঘটনাটি পাকিস্তানের। আর এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। ওই দুই নাবালক নবদম্পতির ছবি, ভিডিও এখন তুমুল ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে। অনেকেই এই বাল্যবিবাহের ঘটনার নিন্দা করছেন। আবার অনেকেই হাসাহাসি করছেন এই ঘটনা নিয়ে।

সম্প্রতি, এই বিয়ের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই সেটি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। এই ভিডিওতে দুজনকে বাগদান করতে দেখা যায়। জানা গেছে, পাত্র ও পাত্রী দুজনেরই বয়স ১৩ বছর। সপ্তম শ্রেণীর পড়ুয়া তারা। এককথায় দুই সহপাঠী এই বিয়ের পাত্র ও পাত্রী। কিন্তু কেন এই বিয়ে দিলেন পরিবার? জানা গেছে, ওই নাবালক তার বাবার কাছে স্কুলে যাওয়ার শর্ত হিসেবে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আর সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে তার বাবা এই বিয়ের আয়োজন করে। এদিকে বাগদানের পর পাত্র জানায় যে সে এর পরে একসাথে স্ত্রীকে নিয়ে স্কুলে যাবে এবং পড়াশুনা শেষ করবে। এছাড়াও সে জানায় যে বিয়ের পর নাকি সে স্ত্রীকে আইফোন উপহার দেবে।