আজকালকার দিনে ভারতের নাগরিকদের মধ্যে ব্যবসা করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে ব্যাপকভাবে। মূলধন অনুযায়ী সকলেই এখন ব্যবসার কথা চিন্তাভাবনা করছেন। কেউ কেউ যেমন বেশি মূলধন নিয়ে বড়সড় ব্যবসায় নামার কথা ভাবছেন, তেমনই আবার অনেকে ছোটখাটো অঙ্কের মূলধন নিয়ে বিভিন্ন ‘স্টার্ট-আপ’ করার কথা চিন্তাভাবনা করছেন। তাই অনেকের মতে আগামী প্রজন্ম হয়তো ভারতের বুকে এক অন্য স্বনির্ভর শিল্পবিপ্লব দেখতে চলেছে।
আপনার মনেও হয়তো এসেছে এমন কিছু চিন্তাভাবনা। কিন্তু ব্যবসা তো আর মুখের কথা নয়। কারণ ব্যবসার কথা ভাবা আর ব্যবসা শুরু করার মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। ব্যবসা করার কথা ভেবে নেওয়া যায় অনায়াসে, কিন্তু ব্যবসা শুরু করতে গেলে মূলধন থেকে কাঁচামালের যোগান এমনকি দ্রব্যের বিক্রয়স্থল খুঁজতে হিমশিম খেয়ে যান অনেকেই। তবে এই প্রতিবেদনে আপনার জন্য এমন তিনটি ব্যবসার সন্ধান রয়েছে যা আপনি সহজেই শুরু করতে পারবেন এবং গ্রাম থেকেও এসব ব্যবসায় ভালো উপার্জন করতে পারবেন।
● চায়ের দোকান: গ্রাম হোক বা শহর, চায়ের খদ্দের কোথাও কম নেই। আর শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা সব ঋতুতেই চায়ের চাহিদা ভালো থাকে বাংলায়। তাই ভোর তিনটে থেকে রাত বারোটা অবধি চায়ের দোকান চলে অধিকাংশ জায়গাতেই। আর এই চায়ের দোকান করা যায় খুব স্বল্প বিনিয়োগে। ভালো ভিড় হয় এমন জায়গায় একটি টেবিল পেতেও চায়ের দোকান চালানো যায়। আর এমন দোকান চললে প্রতিমাসে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা রোজগার করা যায়।
● আটা চাক্কি: এখনো অনেকে বাজার থেকে আটা কিনে খেতে চান না। তাই বাজার থেকে গম কিনে তা পিষিয়ে সেই আটা খাওয়ার চল অনেক বাড়িতেই রয়েছে। একইসঙ্গে গ্রামের এলাকায় গমের চাষ হয়। তাই গম পেষাই করার চাক্কি কিনে সেটি একটি স্থানে লাগিয়ে এর থেকে ভালো রোজগার করতে পারবেন। আটা চাক্কি থেকে মাসে অন্তত ২৫ হাজার টাকা রোজগার করা সম্ভব।
● টোটো চালানো: আজকাল গ্রাম হোক বা শহর বস মফঃস্বল, সব জায়গাতেই ছোট দূরত্ব সফর করার জন্য টোটোর ব্যবহার বাড়ছে। তাই টাকা জমিয়ে একটি টোটো কিনে রাস্তায় নেমে পড়লেই রোজগার হয়। এর জন্য কোনো লাইসেন্স লাগেনা। তবে সব এলাকাতেই টোটো ইউনিয়ন রয়েছে। সেখানে নাম নথিভুক্ত করে তবেই যাত্রীবাহী টোটো চালানো উচিত। তবে টোটো চালিয়ে কমপক্ষে মাসে ১০ হাজার টাকা রোজগার করা যায়।